Barisal - বরিশাল 6.19

4.6 star(s) from 298 votes
Barisal Sador
Barisal, 8200
Bangladesh
Download vCard Share
Add Review

About Barisal - বরিশাল

Barisal - বরিশাল Barisal - বরিশাল is one of the popular place listed under City in Barisal , Public Places in Barisal , River in Barisal , Historical Place in Barisal ,

Contact Details & Working Hours

Details

ধান-নদী-খাল, এই তিনে বরিশাল। বরিশালকে নিয়ে এই প্রবাদের সার্থকতা খুঁজে পাওয়া যায় সেখানে গেলে।

কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত বরিশালের পূর্ব নাম ছিল চন্দ্রদ্বীপ। প্রায় ২৭৯০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ জেলার উত্তরে মাদারীপুর, শরিয়তপুর ও চাঁদপুর জেলা, দক্ষিণে পটুয়াখালী, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলা, পূর্বে ভোলা ও লক্ষ্মীপুর জেলা এবং পশ্চিমে ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা। কীর্তনখোলা, আড়িয়াল খাঁ, তেঁতুলিয়া, সন্ধ্যা ইত্যাদি জেলার প্রধান নদী। বরিশাল জেলার বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ নিয়ে কড়চার এবারের বেড়ানো। প্রাচ্যের ভেনিস বরিশাল দক্ষিণাঞ্চলে অসংখ্য পুরাকীর্তির সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে অধিকাংশই ছিল দেব-দেবীর মূর্তি, দীঘি, দুর্গ, তাম্রলিপি ও মুদ্রা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, বাকলা-চন্দ দ্বীপের অনেক পুরনো কীর্তিই ধবংস হয়ে গেছে ঘূর্ণিঝড় ও নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে।

ইতিহাস পর্যালোচনায় জানা যায়, চতুর্থ শতকে রাজা চন্দ বরমা চন্দ দ্বীপ জয় করে একটি বিরাট দুর্গ নির্মাণ করেন। এই দুর্গটির অবস্থান ছিল কোটালীপাড়ায়। মাটির দুর্গটি ১৫ থেকে ৩০ ফুট উঁচু এবং দুই মাইল লম্বা। ৩১৫ খ্রীষ্টাব্দে এটি নির্মাণ করা হয়। ১৫০৮ খ্রীষ্টাব্দে ভূমি জরিপের সময় কোটালীপাড়ায় ঐ দুর্গের কাছাকাছি বেশকিছু স্বর্ণমুদ্রা পাওয়া যায়। এছাড়া বেশকিছু তাম্রলিপি উদ্ধার হয়। তাম্রলিপিগুলোর মধ্যে ঘুঘ্রাহাটি বা ঘাগরকাঠি তাম্রশাসন তাৎপর্যপূর্ণ। ষষ্ঠ শতকে চন্দ দ্বীপ-বাকলার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গ ছিল সমৃদ্ধশালী জনপদ। দশম শতকের রাজা শ্রী চন্দে র ৫ খানা তাম্রশাসনের মধ্যে তিনখানা প্রাচীন চন্দ দ্বীপে পাওয়া যায়। এগুলো হলো ধুলিয়া, কেদারপুর ও ইদিলপুর তাম্রশাসন। ধুলিয়া ও কেদারপুর বর্তমানে ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত। আর কোটালীপাড়া গোপালগঞ্জ জেলার অন্তর্গত। এছাড়া উজিরপুর থানার শিকারপুরে ১০১৫ খ্রীষ্টাব্দে রচিত একটি তালপাতার পুঁথি পাওয়া যায়। তাম্রশাসনে গৌরনদী থানার রামসিদ্দি, বাঙ্গালা ও ঝালকাঠী থানার নৈকাঠী ও চন্দ দ্বীপের নাম উল্লেখ ছিল। রামসিদ্দি ও বাঙ্গালা গ্রাম দুইটি ছিল পাশাপাশি। ১৩ শতকের এ তাম্রশাসনে ব্রাহ্মণকে ভূমিদানের ও চন্দ ভণ্ড জাতি শাসন ও মন্দির নির্মাণের কথা উল্লেখ আছে। চতুর্থ থেকে ১৩ শতক পর্যন্ত বাকলা-চন্দ দ্বীপে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ঘটে। তখন সংঘারাম বৌদ্ধ মন্দির ও বেশ কিছু বৌদ্ধ মন্দির স্থাপিত হয়। মূলত পাল ও সেন আমলে চন্দ দ্বীপ (বরিশালের আদি নাম) উন্নত জনপদ হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। তখন বাঙ্গালা, রামসিদ্দি, মাহিলারা, ফুলশ্রী, গোবরধন, বাটাজোর, চন্দ হার, শিকারপুর, বাগদা, নলচিড়া, বাকাল, বাকাই, লক্ষণকাঠী, আগৈলঝাড়া, নৈকাঠী, রুনশি, বাইশারী, নথুল্লাবাদ, রাজাপুর, ইদিলপুর, গোবিন্দপুর ও লতা প্রসিদ্ধ স্থান হিসাবে পরিচিতি লাভ করতে থাকে। এই স্থানগুলোতেই ছিল নানা প্রাচীন কীর্তি। কালের বিবর্তনে পুরনো কীর্তি তো দূরের কথা, অনেক এলাকার অস্তিত্বই নেই। ঝড়-জলোচ্ছ্বাস ছাড়াও নদী ভাঙ্গনে হারিয়ে গেছে এসব পুরাকীর্তি। এক সময়ে যেখানে ছিল রাজাদের দালানকোঠা, সেখান দিয়ে এখন চলছে বড় বড় জাহাজ। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ফুলশ্রী গ্রামে রাজবংশের ৭ জন রাজকুমারের নামে ৭টি দীঘি ছিল। সুপরিকল্পিতভাবে সুপেয় পানির জন্য খনন করা হয়েছিল এ দীঘিগুলো। এখন তার অস্তিত্ব নেই। অধিকাংশই ভরাট হয়ে গেছে। নরসিংহের দীঘিতে ঘাটলা পাওয়া গিয়েছিল স্বাধীনতার আগে। এখন সেখানে জনবসতি গড়ে উঠেছে।

মাহিলাড়ার রুদ্র সেনের বাড়ি ও দীঘি এখন শুধুই ইতিহাস। রাজাপুর থানার নিকট স্বাধীনতার পূর্বে পুকুর খনন করতে গিয়ে মাটির নীচে টালী ইটের নির্মিত প্রশস্ত দেয়াল পাওয়া যায়। ইতিহাসবিদগণের মতে এসব স্থাপনা সেন আমলের তৈরি। পাল ও সেন আমলের মূর্তিগুলোর মধ্যে অধিকাংশই ধবংস হয়ে গেছে। চুরি হয়ে গেছে অনেক পুরাকীর্তি। মাধবপাশার দলুজমর্দন সুগন্ধা নদীতে কাইত্তাইনি মূর্তি পেয়েছিল। দুইটি মূর্তি মাধবপাশার রাজবাড়িতে রাখা হয়েছিল। রাজপরিবার ৫শ’ বছর ধরে ঐ মূর্তি পূজা করত বলে ইতিহাস থেকে জানা যায়। এখন মূর্তিও নেই রাজা কিংবা রাজ্যও নেই। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঐ মূর্তি দুইটি উধাও হয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ একটি মূর্তি উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় জাদুঘরে পাঠায়। শিকারপুর থেকে উদ্ধার করা তারা মূর্তিটি ছিল ভারতবিখ্যাত। তখন ঐ মূর্তিকে কেন্দ করে শিকারপুর তীর্থ স্থানে পরিণত হয়েছিল। দেবীর সেবায়েতের নিজ হাতে লেখা প্রাচীন পুঁথি থেকে জানা যায়, শ্রী গঙ্গাবতী চক্রবর্তী সুগন্ধা নদীতটে পাষাণময়ী তারামূর্তি ও শিবলিঙ্গ প্রাপ্ত হন। ১৮৮৪ খ্রীষ্টাব্দে আটিপাড়া গ্রামের একদল মুসলমান ঐ মূর্তিটি ভেঙ্গে ফেলে। পরে সেখানে একটি কালি মূর্তি স্থাপন করা হয়। সেই মূর্তিটি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ভেঙ্গে ফেলে। মূর্তির সাথে প্রাপ্ত শিবলিঙ্গ তারা মন্দিরে এখনো সংরক্ষিত আছে। শিকারপুরে ধবংসপ্রাপ্ত তারা মূর্তিটি সপ্তম শতকে স্থাপন করা হয়েছিল বলে সেবায়েতরা দাবি করেন। দক্ষিণাঞ্চলের বহু পুরনো মূর্তি, মন্দির ও পুরনো মুদ্রা এভাবেই বিলীন হয়েছে। প্রাচীন বাড়িগুলো বিলীন হয়ে গেছে নদীগর্ভে। এখন প্রততত্ত্ব অধিদপ্তর যেসব পুরাকীর্তি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিচ্ছে তা ততটা পুরনো আমলের নয়।

কীর্তনখোলা নদী : বরিশাল শহরের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে কীর্তনখোলা নদী। বরিশালের সায়েস্তাবাদ থেকে শুরু হয়ে নদীটি গাবখান খালের কাছে এসে গজালিয়া নদীতে পড়েছে। বর্তমানে এটি বরিশাল নদী নামেও পরিচিত।

অশ্বিনীকুমার টাউন হল : বরিশাল শহরের সদর রোডে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী অশ্বিনীকুমার টাউনহল। বরিশাল শহরের উন্নয়নের প্রাণপুরুষ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অশ্বিনীকুমার দত্তের নামানুসারে এ হলের নামকরণ করা হয়। এ হলটি প্রতিষ্ঠার পেছনে আছে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। ১৯০৬ সালে রাজা বাহাদুরের হাবেলিতে মিছিলের উপর পুলিশ হামলা চালায়। এ ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে অশ্বিনীকুমার দত্ত একটি হল নির্মাণের প্রস্তাব করেন। ১৯২০ সালে অশ্বিনীকুমারকে সভাপতি ও শরৎচন্দ্র গুহকে সম্পাদক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। একই বছর রাজা বাহাদুরের হাবেলির মালিকদের নিকট থেকে জমিও ক্রয় করা হয়। পরের বছর হলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ১৯৩০ সালে। এর মাঝে ১৯২৩ সালে অশ্বিনীকুমার দত্তের মৃতু্য হলে এক শোকসভায় সর্বসম্মতিক্রমে হলটি তার নামে নামকরণ করা হয়।

বিএম কলেজ : বরিশালের প্রাচীন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্রজ মোহন কলেজ। ১৮৮৪ সালের ২৭ জুন এই কলেজ স্থাপিত হয়।

অক্সফোর্ড মিশন গির্জা : শহরের বগুড়া রোডে রয়েছে সুরম্য স্থাপনা সমৃদ্ধ অক্সফোর্ড মিশন গির্জা। এখানকার গির্জাটি বেশ আকর্ষণীয়। গ্রিক স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত গির্জাটির ভেতর আছে সুবিশাল প্রার্থনা কক্ষ। মুকুন্দ দাসের কালিবাড়ী :শহরের পাশেই রয়েছে চারণকবি মুকুন্দ দাসের বসতভিটা। কবির জন্ম বিক্রমপুরে হলেও তার পিতা গুরুদয়াল বরিশালের আদালতে আরদালির কাজ করতেন। সেই সূত্রে তারা বরিশালের বাসিন্দা হন।

কড়াপুর মিঞাবাড়ী মসজিদ : জেলার সদর উপজেলার কড়াপুর ইউনিয়নের মিঞাবাড়ীতে রয়েছে প্রাচীন একটি মসজিদ। একটি উঁচু ঢিবির উপরে নির্মিত এ মসিজদে ওঠার জন্য সামনের দিকে ঠিক মাঝখানে একটি সিঁড়ি আছে। সামনের দেয়ালের তিনটি প্রবেশপথ বরাবর পশ্চিম দেয়ালে আছে তিনটি মিহরাব। মসজিদের উপরে আছে তিনটি গম্বুজ। মসজিদের সামনের দেয়ালে আছে চারটি মিনার এবং এগুলোর ফাঁকে ফাঁকে আছে অপেক্ষাকৃত ছোট আরো ছয়টি সরু মিনার। ধারণা করা হয়, মসজিদটি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত।

দুর্গাসাগর : বরিশাল শহর থেকে প্রায় এগারো কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মাধবপাশা গ্রামে ছিল বাকলা চন্দ্রদ্বীপ রাজাদের আবাসস্থল। তারা পটুয়াখালী জেলার বাউফল থেকে মগ জলদসু্যদের ভয়ে কিংবা নদী ভাঙ্গনের ফলে এখানে চলে আসেন বলে জানা যায়। এখানে রাজাদের প্রাসাদ, মন্দির ইত্যাদির ধ্বংসাবশেষ এখনো বিদ্যমান। তবে মাধবপাশার দর্শনীয় স্থান হলো প্রাচীন দীঘি দুগর্াসাগর। রাজা জয়নারায়ণের মা দুর্গাদেবীর নামে এর নামকরণ করা হয়। বিশাল এ জলাশয়ের ঠিক মাঝখানে আছে একটি ছোট্ট দ্বীপ। শীতে এ দ্বীপে প্রচুর অতিথি পাখির সমাগম হয়। বরিশালের নথুলস্নাবাদ বাস স্টেশন থেকে বানারীপাড়ার বাসে সহজেই আসা যায় দুর্গা সাগর।

বায়তুল আমান মসজিদ : জেলা সদর থেকে প্রায় পনের কিলোমিটার দূরে বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কের পাশে গুঠিয়া এলাকায় রয়েছে আধুনিক স্থাপত্যরীতিতে তৈরি বায়তুল আমান জামে মসজিদ। স্থানীয়রা একে গুঠিয়া মসজিদও বলে থাকেন। বিস্তীর্ণ খোলা চত্বরের মাঝে বিশাল এ মসজিদটির কেন্দ্রে রয়েছে কারুকাজ খচিত একটি গম্বুজ। মসজিদের উঁচু মিনারটিও বেশ আকর্ষণীয়। এটি বাংলাদেশের আকর্ষণীয় মসজিদগুলোর একটি।

গুঠিয়ার সন্দেশ : গুঠিয়ার আরেক বিশেষ আকর্ষণ এখানকার সন্দেশ। গরুর দুধের ছানা দিয়ে তৈরি এ সন্দেশ খুবই মজাদার। গুঠিয়া মসজিদের পাশেই পাওয়া যায় এ সন্দেশ। প্রতিটি সন্দেশ বিক্রি হয় সাত টাকায়, আর প্রতি কেজি ৩০০ টাকায়।

শেরে বাংলা স্মৃতি জাদুঘর : বরিশাল সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বানারীপাড়ার চাখারে অবস্থিত শেরে বাংলা স্মৃতি জাদুঘর। ১৯৮২ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এখানে এ জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করে। এ জাদুঘরে দেখা মিলবে শেরে বাংলার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের দুর্লভ সব আলোকচিত্র, তার ব্যবহূত নানান আসবাবপত্র ইত্যাদি। জাদুঘরের অদূরেই রয়েছে ১৯২৯ সালে শেরে বাংলা কতর্ৃক প্রতিষ্ঠিত মসজিদ। শনিবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে এ জাদুঘর।

শিকারপুরের তারা মন্দির : শহর থেকে প্রায় বিশ কিলোমিটার দূরে সুগন্ধা নদীর তীরে শিকারপুর গ্রামে অবস্থিত তারা মন্দির। দীর্ঘকাল পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার পর চলতি শতকের গোড়ার দিকে মন্দিরটি সংস্কার করা হয়।

মাহিলারা সরকার মঠ : জেলার উজিরপুর উপজেলার মাহিলারা এলাকায় প্রাচীন একটি স্থাপনা সরকার মঠ। আটকোণাকৃতির এ মঠটি প্রায় ২০.২১ মিটার উঁচু। পুরো মঠের গায়ে নানান অলঙ্করণে শোভিত। জানা যায়, অষ্টাদশ শতকে নবাব আলীবদর্ী খাঁর সময়ে সরকার রূপরাম দাসগুপ্ত এটি নির্মাণ করেন।

কসবা মসজিদ : জেলার গৌরনদী থানার রামসিদ্ধি গ্রামে অবস্থিত প্রচীন স্থাপনা কসবা মসজিদ। বর্গাকারে নির্মিত এ মসজিদের প্রত্যেক পাশের দৈর্ঘ্য ১৬.৯৬ মিটার। প্রাচীরগুলি বেশ প্রশস্ত। এর চার কোণে চারটি ছোট আকৃতির মিনার আছে। মসজিদের সামনের দেয়ালে তিনটি এবং উত্তর দেয়ালে একটি করে প্রবেশপথ আছে। প্রবেশপথগুলো পোড়ামাটির অলঙ্করণে শোভিত। মসজিদের উপরে আছে নয়টি গম্বুজ। ধারণা করা হয়, খানজাহানের সময়ে মসজিদটি নির্মিত।

কিভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে নদী ও সড়কপথে বরিশাল যাওয়া যায়। ঢাকার সদরঘাট থেকে প্রতিদিন রাতে ছাড়ে এমভি সুন্দরবন (০১৭১৩-০৩২০৮৯, ০১৭১৮৬৬৪৭০০), এমভি সুরভী (০১৭১৩-৪৫০১৪৫, ০১৭১১-৩৩২০৩২), এমভি দ্বীপরাজ (০১৭২৭৭০০৭৭৭),
এমভি কীর্তনখোলা (০১৭২৭৭০০৭৭৭),
এমভি কালাম খান,
এমভি পারাবাত (০১৭১১৩৩০৬৪২, ০১৭১১৩৪৪৭৪৭) ইত্যাদি।
এসব লঞ্চে প্রথম শ্রেণীর একক কেবিন ৪৫০-৫৫০ টাকা, দ্বৈত কেবিন ৯০০-১০০০ টাকা। ডেকে জনপ্রতি ভাড়া ২০০-২৫০ টাকা।

এছাড়া ঢাকার গাবতলী থেকে
সাকুরা পরিবহন (০২-৮০১৪৭০২),
সুরভী পরিবহন, দ্রুতি পরিবহন (০২-৯০০২৯৮৯),
শ্যামলী পরিবহন (০২-৯১৪১০৪৭),
হানিফ এন্টারপ্রাইজ (০২-৯১৩৫০১৮)
ইত্যাদি বাস সরাসরি বরিশালে যায়।
ভাড়া ২৫০-৩০০ টাকা।

কোথায় থাকবেন : বরিশাল শহরে থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল হলো_
হোটেল এ্যাথেনা (০১৭১২-২৬১৬৩৩, ভিভিআইপি কক্ষ ২৫০০ টাকা, ভিআইপি ১৮০০ টাকা, দ্বৈত কক্ষ ১১০০ টাকা এবং একক কক্ষ ৯০০ টাকা)।
হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনাল (০১৭১৪২-০০৭০৭০, এসি একক কক্ষ ৭০০ টাকা, এসি দ্বৈত কক্ষ ১০০০ টাকা, ভিআইপি একক কক্ষ ১৫০০ টাকা, ভিআইপি দ্বৈত কক্ষ ২৫০০ টাকা, সাধারণ একক কক্ষ ৩৫০ টাকা, সাধারণ দ্বৈত কক্ষ ৪৫০ টাকা।

Map Barisal - বরিশাল

Updates from Barisal - বরিশাল

Review Barisal - বরিশাল

   Loading comments-box...